
প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলেই সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ ছিল জ্যোতিদের। কিন্তু ২২৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আসা-যাওয়ার মিছিলে বাংলাদেশ থেমেছে ১২০ রানে। ফলে ১০৮ রানে বাংলাদেশকে পরাজিত করে সিরিজে সমতায় ফিরল ভারত।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ১৪ রানে দ্বীপ্তি শর্মার বলে শারমিন আক্তার ফিরেন (২)। পরের ওভারে কোন রান যোগ না করেই মুর্শিদাও (১২) ফিরেছেন।
৩য় উইকেটে ফারজানাকে নিয়ে লতা দলের হাল ধরতে চেয়েও ব্যর্থ হন। ২৪ রান যোগ করে ফিরেন লতা (৯)। এরপর রিতু মনিকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান ফারজানা। এই জুটিতে দলীয় সংগ্রহ ১০০ পেরোয়।
এরপর দেবিকা এসে ফারজানাকে (৪৭) এবং জেমিমাহ এসে রিতুকে (২৭) ফিরিয়ে ব্যাকথ্রু এনে দেন। এরপর লক্ষ্য হারায় বাংলাদেশ। একে একে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন রাবেয়া (১), নাহিদা (২), নিগার (৩), সুলতানা (০) এবং মারুফা (১)।
১২০ রানে সবগুলো উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন ফারজানা। ভারত দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট তুলে নেন জেমিমাহ।
এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। মারুফা আক্তারের ডেলিভারিতে বোল্ড হন প্রিয়া পুনিয়া (৭)। এরপর মারুফার হাত ছুঁয়ে বল স্টাম্পে লেগে নন স্ট্রাইকে থাকা ইয়াস্তিকা ভাটিয়া (১৫) রান আউট হন। এরপর হারমানপ্রিত কৌরকে নিয়ে ২৮ রান যোগ করে আউট হয়ে যান স্মৃতিও (৩৬)।
স্মৃতি ফিরলে জেমিমাহকে নিয়ে ৭৩ রানের জুটি গড়েন হারমানপ্রিত। এমন সময় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরেন হারমান। ৪৭তম ওভারে হারলিন (২৫) ফিরেন। এরপর আবারও ব্যাটিংয়ে নামেন হারমানপ্রিত। পরের জুটিতে ২৫ রান যোগ করে স্টাম্পিং হন জেমিমাহ (৮৬)। অর্ধশতক করেন হারমানপ্রিতও।
নির্ধারিত ৫০ ওভারের আগে আরও ৩ উইকেট হারায় ভারত। বাংলাদেশের পক্ষে দুই উইকেট করে নেন সুলতানা খাতুন ও নাহিদা।