Google search engine

বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ১৩৭ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। ৩৬৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য টপকাতে নেমে ২২৭ রানেই থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংস।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। রিচ টপলির সামনে টিকতে পারেনি বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ব্যাটাররা। আগের ম্যাচে ফর্মে থাকা শান্তও ফিরেছেন শূন্য রানে। সাকিব, মিরাজ, তামিমও রান পাননি।

দুঃসহ অবস্থার মাঝে কেবল লিটন, মুশফিকের ব্যাট হেসেছে। দুজনের ৫০+ ইনিংসে সম্মানজনক একটা স্কোর পায় বাংলাদেশ। হৃদয় ৩০+ ইনিংস খেলেন। বাকিরা কেউ ক্রিজে বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেননি। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৩৭ রানে পরাজিত হয় বাংলাদেশ।

ধর্মশালার পিচকে ব্যাটিং স্বর্গ মনে করা হয়। এর প্রমাণ মিলেছে প্রথম ইনিংসেই। ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বড় স্কোর এসেছে। দ্বিতীয় ইনিংসেও ভালো কিছুই প্রত্যাশা করা হচ্ছিল। তবে

বড় লক্ষ্য তাড়ায় ভালো শুরুর বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। ক্রিস ওকসের প্রথম ওভারে তিন চার মেরে সেটার আভাসই যেন দিলেন লিটন দাস। তবে পরের ওভারে উল্টো চিত্র দেখালেন তানজিদ হাসান তামিম। টপলির অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ ডেলিভারিতে সেকেন্ড স্লিপে থাকা জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১ রানে। তানজিদ আউট হওয়ার পরের বলে সাজঘরে ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

টপলির অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে পয়েন্টে থাকা লিয়াম লিভিংস্টোনের হাতে ক্যাচ দেন রানের খাতা খুলতে না পারা বাঁহাতি এই ব্যাটার। ১৪ রানে ২ উইকেট হারানোর পর সাকিব আল হাসানের সামনে সুযোগ ছিল প্রতিরোধ গড়ার। তবে বাংলাদেশের অধিনায়ককে সেটা করতে দিলেন না সেই টপলিই। বাঁহাতি এই পেসারের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন ৯ বলে ১ রান করা সাকিব।

ওকসের বলে চার মেরে রানের খাতা খুলেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে তাকে ইনিংস বড় করতে দেননি ওকসই। ডানহাতি এই পেসারের সামনের পায়ে ভর করে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে থাকা জস বাটলারকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করা মিরাজ এদিন আউট হয়েছেন ৮ রানে। বাংলাদেশের ব্যাটাররা আসা-যাওয়ার মিছিলে থাকলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন লিটন।

এদিন শুরু থেকেই শট খেলায় বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন ডানহাতি এই ওপেনার। ফলস্বরূপ পেয়েছেন হাফ সেঞ্চুরির দেখাও। ৩৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি করে ৬ ম্যাচের আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন তিনি। মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর বিপর্যয় সামাল দিয়েছেন তিনি। দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন লিটন। তবে তিন অঙ্কে যেতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটার। ওকসের অফ স্টাম্পের বাইরের স্লোয়ার ডেলিভারিতে আগ বাড়িয়ে খেলতে গিয়ে বাটলারকে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন ৭৬ রানের ইনিংস খেলে।

লিটন ফেরার পর হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন মুশফিকও। আদিল রশিদের বলে এক রান নিয়ে ৬১ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন তিনি। হাফ সেঞ্চুরির পর অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুশফিক। টপলির বলে কাট করতে গিয়ে ডিপ থার্ডম্যানে থাকা রশিদের হাতে ধরা পড়েছেন। আউট হয়েছেন ৫১ রানের ইনিংস খেলে। এদিকে হাফ সেঞ্চুরি পেতে পারতেন তাওহীদ হৃদয়। তবে লিয়াম লিভিংস্টোনের টার্ন করে বেরিয়ে যাওয়া বলে খোঁচা দিতে গিয়ে আউট হয়েছেন ৩৯ রান করে।

আরেক ব্যাটার শেখ মেহেদী বোল্ড হয়েছেন রশিদের গুগলিতে। শেষ দিকে মার্ক উডের গতিময় বলে জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন ১২ রান করা শরিফুল ইসলাম। ১৫ রান করা তাসকিন আহমেদ বোল্ড হয়েছেন স্যাম কারানের বলে। ইংল্যান্ডের হয়ে টপলি চারটি এবং ওকস নিয়েছেন দুটি উইকেট।

Google search engine

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here