Google search engine

প্রথম দিন থেকেই বেশ ট্রেকে ছিল বাংলাদেশ। সবার কম্বিনেশনে জয়টা আরো সহজতর হয়ে উঠছিল। পাহাড়সমান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় আফগানদের সামনে। ৬৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে আফগানরা থেমেছে ১১৫ রানে। নিজেদের ৭ ম্যাচে বাংলাদেশ টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয় পেয়েছে।

শুরু থেকেই আফগানদের চাপে ফেলেছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন পর্যন্ত এগিয়েছে বেশ ভালোভাবেই। আগের দিন ২ উইকেট হারিয়ে দিন শেষ করা আফগানরা চতুর্থ দিনের শুরুতেই উইকেট হারায়। এবাদতের ওভারে সুবিধা করতে না পারার পর শরীফুলের ওভারেও সুবিধা করতে পারেনি আফগানরা।

এরপর আবার এবাদত এসে উইকেট তুলে নেন। দলীয় ৪৮ রানে ৩য় উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এরপর শরিফুল এসে জাজাই ফিরেন। আফগানরা তখনও কেবলমাত্র ৬৫ রান পেরিয়েছে। বাহির শাহও ফিরেন দ্রুত। শরিফুলের হাতে শিকার হয়ে ফিরেন। খানিকপর তাসকিনের আঘাতে রহমত শাহ ও ফিরেন। এক ওভার পর আবার তাসকিনের আঘাতে ফিরেন জানাত।

লাঞ্চের আগে তাসকিন আরও ২টি উইকেট শিকার করেন। তাসকিনের বলে জীবন পেলেও আঘাত পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন জহির খান। ৯ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রানে ইনিংস শেষ করে আফগানরা। ৫৪৬ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট নেন তাসকিন।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ৩৮২ রান তোলে বাংলাদেশ। শান্ত শতক করেন। জবাবে ১৪৬ রানে অলআউট হয় আফগানরা। বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট নেন এবাদত। এরপর বাংলাদেশ ২য় ইনিংসে ৪২৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। মুমিনুলের ব্যাটে অপরাজিত ১২১ রান আসে। আর শান্ত আবারও শতক করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১৫ রানেই গুটিয়ে যায় আফগানরা। টেস্ট ক্রিকেটে এটিই বাংলাদেশের দেয়া সর্বোচ্চ রানের লক্ষ্য ছিল।

Google search engine

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here